জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৩

বোনের জন্য...


তোকে সবাই দূর থেকেই দেখে
আর তুই? একলা বসেই কাঁদিস
সবার অগোচরে...!
আমিও কাঁদি তোর জন্যে একা নিরালায়
তোর-আমার কান্না মিলে দূরের নীলিমায়

পরের বাড়ি চলে গেছিস পর কে করে আপন
পুরনো তাই করতে না পাই তোকে জ্বালাতন!
অল্প দিনেই হয়ে গেছিস অনেক জনের আপন
তাই তো তোকে দূর থেকে মিস করি ভীষন! 

কেমন আছিস?কি খাচ্ছিস জানতে মনে চায়?
নতুন শাসন ভয় করি তাই জানা তো না যায়! 
তুইও এমন করেই ভাবিস জানি দিবা-নিশি 
তোর মনটাও এমনি করেই কাঁদে অনেক বেশি!

মুখটা তোর দেখলে পড়েই বুঝি অনেক কিছু
কি করবো?পর হয়েছিস,তাই বলতে হয় না কিছু! 
কঠিন কথা শুনলে জানি অনেক কষ্ট পাস
তবুও বোন ধৈর্য্য ধরে সবই শুনে যাস! 

তোর কষ্টে আমিও কাঁদি তোরই মতোন করে
যদি পারতাম কেঁদে নিতাম বুকে জড়িয়ে ধরে! 
অনেক কঠিন,তোর জন্য জানিরে সব কিছু
কেউ না বুঝুক আপু বুঝি,তোর সব কিছু! 

চোখের পানি নয়রে কোন সঠিক সমাধান
কান্না ভুলে,দুঃখটাকে ভেঙ্গে কর খানখান
নতুন জীবন নতুন মানুষ,নতুন পরিবেশ
মানিয়ে নিলেই পেয়ে যাবি পরম সুখের আবেশ! 
যেথায় থাকিস,আছি আমি হয়ে তোর সাথী
সুখে-দুঃখে থাকবো পাশে হয়ে মনের বাতি। 

বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৩

আমি শুধু বৃষ্টিকেই আপনাতে পারি...


মৌনতার আবরনে ঢেকে যায় শোরগোল
কঠিন তাই বলে,আমিই অনেক আপন!
খুব অপেক্ষায় আছি এক পশলা বৃষ্টির
যেনো কঠিনেরে বলতে পারি,
আমি শুধু বৃষ্টিকেই আপনাতে পারি...  

তোর ব্যাস্ততা বুঝা ভার!
বৃষ্টি কখন আসে-যায়,কখন তোকে ডেকে যায়
সে খবরও রাখা ভার!
কি অদ্ভুদ সব কিছু...! 
তোকে ডাকে বৃষ্টি,ডাকে মেঘ,পাখী ছুটে তোর পিছু
তবু সময় হয়না তোর,
শুধু ছুটে চলিস বহুদূর! 

আমি শোরগোল শুনতে পাই,অভিযোগ-অপবাদ
আর পরাজয়ের গান,
আমি তীব্র আকুলতায় চোখ ভাসাই
তবু পড়তে পারা দায় ,
আমি অনুরুদ্ধ হয়ে অশ্রু ভাসাই
তবে তা বুঝার কি দায়? 

বৃষ্টি আসে খুব আবেগ নিয়ে 
সুখ-অনুরাগের আবেশ নিয়ে
আমি চোখ বুজে থাকি,
আমি বৃষ্টি ছুঁয়ে দেখি
শুধু দেখা হয়না আবেগের কঠিন্যতা
অনুভব কড়া নাড়ে না হয়ে ব্যাকুলতা! 

তবুও বৃষ্টিকেই ভালোবাসি
যেনো কঠিনেরে বলতে পারি, 
আমি শুধু বৃষ্টিকেই আপনাতে পারি 
আমি বুঝাতে পাড়ি বৃষ্টিকে
আমি ভালোবাসি কঠিনকে...! 

শুকনোপাতার কাব্য- ১৭


বেহিসেবি সময়ের হিসেব কষতে বসে 
কেমন এলোমেলো লাগছে সব!
সবই আছে গোছানো,তবু আমি ভাবছি
সব কিছু...
কেন এতো এলোমেলো! 

তন্ময় হয়ে সময় গুনে অতন্দ্র কোন প্রহরী
সুরে তার নেই সুর তবু বুনে তাল মেলানোর নহরী
বাজিয়ে বাঁশি জলে ভাসে চোখ
কেমন করে তবু বাঁধে সুরের ধোক?
আমি উতলা মনে ভেবে যাই শুধু
কেন আসে?বারে বারে বেহিসেবি ভোর?!  

জীবনের তরেই জীবন গোছানো 
নাই বা থাকলো অনেক স্বপ্ন
তবু বাঁধ সাধে দুঃখ,হয়ে সুখের অসুখ
আমি দেই সুখ জলাঞ্জলী!
বুঝি হার মেনেছি দুঃখের কাছেই
তাই সুখরে গিয়েছি ভুলি! 

বুঝলে শুকনোপাতা,
রাজ্য জুড়েই উড়ে বেড়ায় তোমার কথো-কথা!
তোমার আকন্ঠ সুর ছুঁয়ে যায় 
তোমারই মনের জীর্ণতা! 

হয়তো বা... 
তবু আমি বলি, 

না পারিলাম সময় গুনতে
কতো সময় গেলো যে চলে নিজের অজান্তে
না পারিলাম হিসেব কষতে
কতো ভুল যে করেছি এই সরল অংকে
শুধু সুরে বাঁধি বেসুর 
শুনে কাঁদি হয়ে আকুল ! 

দিনমান তাই জঁপিলাম মনে মনে 
আজি বেলা চলে যাক অরুনের সাথে
মিটে যাক রাত তারার পথে
আমি দিন গুনিবো আবারো কাল হতে! 
এবার যদি ভুলি হিসেব কষতে
যদি ভুলি সুর বাঁধিতে
তবে জেনে নেবো,মেনে নিবো
না হবে দেখা কভু,সুখের সাথে...!

[মাঝে মাঝে কবিরা অগোছালো কবিতা লিখে..তবে সেগুলোও অসাধারণ হয়,কিন্তু আমি তেমন কবি নই,তবুও খানিকটা অগোছালো কাব্য লিখলাম!!]